তাকওয়া ও সিয়াম
রামাদানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব
ইসলামিক প্রবন্ধ
•
৫ মিনিট পাঠ
মাহে রামাদান মুসলিম উম্মাহর জন্য এক মহান নিয়ামত। এই মাস শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার নাম নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
"হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।" (সূরা বাকারা: ১৮৩)
রামাদানের প্রধান ফজিলত ও উপকারিতা:
- তাকওয়া অর্জন: নিজের নফস ও রিপুকে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভয় অন্তরে জাগ্রত করা।
- কুরআন নাজিলের মাস: এই বরকতময় মাসেই মানবতার মুক্তির মহাসনদ আল-কুরআন লওহে মাহফুজ থেকে অবতীর্ণ হয়েছিল।
- লাইলাতুল কদর: হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ এক মহিমান্বিত রাত এই রামাদানের শেষ দশকে লুকায়িত।
- সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব: ক্ষুধার কষ্ট উপলব্ধি করার মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র ও অভুক্তদের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
তাই আমাদের উচিত এই মাসটিকে অবহেলায় না কাটিয়ে কুরআন তিলাওয়াত, তারাবীহ এবং বেশি বেশি তাওবা-ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা।