স্মার্ট যাকাত ক্যালকুলেটর
আপনার বাৎসরিক সম্পদের হিসাব করে প্রদেয় ২.৫% যাকাত তাৎক্ষণিকভাবে জেনে নিন
৳ ০
আপনার প্রদেয় যাকাত (২.৫%)৳ ০
* নিসাব পরিমাণ সম্পদ (আনুমানিক ৬০-৭০ হাজার টাকার বেশি) পূর্ণ এক বছর অতিক্রম করলে যাকাত ফরজ হয়।
যাকাত কি ও এর হুকুম?
যাকাত শব্দের অর্থ পবিত্রতা, প্রবৃদ্ধি ও পরিশুদ্ধি। শরীয়তের পরিভাষায়, নিসাব পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পদের অধিকারী প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন মুসলিমের জন্য এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর নির্দিষ্ট হারে (২.৫%) সম্পদ আল্লাহর নির্ধারিত হকদারদের মালিকানায় দেওয়া ফরজ। পবিত্র কুরআনে সালাতের পাশাপাশি ৮২ স্থানে যাকাত প্রদানের নির্দেশ এসেছে।
সম্পদ পবিত্রকরণ
যাকাত কোনো অনুগ্রহ নয়, বরং সম্পদশালীর সম্পদে দরিদ্র ও অভাবীদের ন্যায্য অধিকার। তা আদায়ের মাধ্যমে নিজের বাকি সম্পদ পবিত্র ও বরকতময় হয়।
অর্থনৈতিক ভারসাম্য
যাকাতের মাধ্যমে সমাজের ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য দূর হয় এবং অর্থ কুক্ষিগত না হয়ে অভাবীদের মধ্যে সঞ্চালিত হয়।
যাকাতের নিসাব (কার ওপর যাকাত ফরজ?)
যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে শরীয়তে একজন ব্যক্তিকে ধনী গণ্য করা হয়, তাকে নিসাব বলা হয়। নিসাবের পরিমাপ নিম্নরূপ:
সাড়ে ৭ তোলা (ভরি) বা ৮৭.৪৫ গ্রাম
কারও নিকট শুধুমাত্র সোনা থাকলে তা সাড়ে সাত ভরি হলে এবং এক বছর পূর্ণ হলে ২.৫% যাকাত প্রযোজ্য হবে।
সাড়ে ৫২ তোলা (ভরি) বা ৬১২.৩৬ গ্রাম
টাকা, রূপা বা মিশ্র সম্পদ থাকলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমপরিমাণ অর্থ থাকলে যাকাত ফরজ হবে।
যাকাত ব্যয়ের ৮টি খাত (কুরআনের আলোকে)
পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে যাকাত বণ্টনের আটটি নির্দিষ্ট খাত নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে:
ফকির (নিঃস্ব)
যার কোনো সম্পদ বা জীবিকা নেই।
মিসকিন (দরিদ্র)
যার আয় প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত।
যাকাত কর্মচারী
যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণে নিয়োজিত কর্মী।
মন জয় করার জন্য
ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে।
দাসমুক্তি
দাস বা বন্দীদের মুক্ত করার জন্য।
ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি
অসহায়ভাবে ঋণ পরিশোধে অক্ষম ব্যক্তি।
আল্লাহর রাস্তায়
দ্বীনের খেদমত ও প্রতিরক্ষায়।
মুসাফির (বিপদগ্রস্ত)
সফরে সহায়সম্বলহীন হয়ে পড়া ব্যক্তি।